মাওলানা মাহমুদুল হাসান জিহাদী
সম্মানীত মুসলিম জনতা আপনারা শুনে খুশি হবেন যে আমাদের মাজে পবিত্র জিলহজ্ব মাসা আসিয়াছে ওহা সম্মানীত মাস এই মাসে আমাদের উপর শরিয়তের কতিপয় বিধান রহিয়াছে তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ন বিধান হইল, চতুষ্পদ জন্তু কোরবানী করা। যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের নবম তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখা, রাত্রি জাগরন করা এবং শরীয়তের অন্যান্য বিধান গুলি যথাযথ পালন করা। এ সম্পর্কে রাসুল সাঃ এরশাদ করেন আল্লাহ পাকের নিকট যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশ দিনের এবাদত অপেক্ষা অধিক পছন্দনীয় আর কোন এবাদত নাই, উহার প্রতিটি দিনের রোজা এক বৎসরের রোজার সমতুল্য, আর প্রত্যেক রাত্রির এবাদাত শবে কদরের এবাদাতের সমান। বিশেষ করিয়া আরাফার দিবসের রোজা যাহার সম্পর্কে রাসুল সাঃ বলিয়াছেন আমি আল্লাহ পাকের দরবারে আশা রাখি আরাফার দিবসে রোজা রাখিলে তিনি পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বৎসরের গোনাহ সমূহ মাফ করে দিবেন। ফরয নামাজের পরে তাকবীর পাঠ করা ঃ হযরত আঃ ইবনে মাসউদ রাঃ আরাফার দিবসে ফজরের ওয়াক্ত হইতে কোরবানী দিবসের আছর পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করিতেন। আর হযরত আলী রাঃ আরাফার দিবসের ফজরের নামাযের পর হইতে আইয়ামে তাশরিকের শেষ দিবসের আছর পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করিতেন। অর্থাত, আছরের পর পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করিতেন। এবং ঈদের রাত্রে জাগরন করে এবাদাত করা অনেক ফজিলতের কাজ। আর অনেক নেকের কথা বলা হয়েছে আল্লাহ পাক আমাদের সকল আমল ওয়ালা জিন্দেগী দান করেন আমিন
লেখাটি লিখেছেন
মুহাঃ মাহমুদুল হাসান জিহাদী মুহতামীম মাদরাসায়ে মাদানীয়া মাদানী কুমিল্লা নগরীর 22 নং ওয়ার্ড উত্তর রাম ছয় বাড়ি সংলগ্ন।